বিবিসি জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার রাতে মধ্য কেনিয়ার একটি বোর্ডিং স্কুলের ছাত্রাবাসে আগুন লেগে সতেরো জন ছাত্রছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। একটি সঠিকভাবে নকশা করা, স্থাপন করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা স্বয়ংক্রিয় ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেমের মাধ্যমে এই পর্যায়ের প্রাণহানি এড়ানো যেত। কিন্ডলিং-এর মতো সংস্থাগুলো, যাদের লক্ষ্য হলো “বিশ্বজুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মানুষ, সম্পত্তি এবং জীবিকার উপর আগুনের অসম প্রভাব কমাতে স্থানীয় ও বৈশ্বিক মানবিক এবং উন্নয়নমূলক প্রচেষ্টার সাথে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক জ্ঞানকে সংযুক্ত করা”, এই বিশ্বকে সকলের জন্য আরও নিরাপদ ও স্থিতিস্থাপক একটি স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে অক্লান্তভাবে কাজ করে চলেছে। গ্লোবাল ফ্যাসিলিটি ফর ডিজাস্টার রিডাকশন অ্যান্ড রিকভারি এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথভাবে প্রকাশিত ২০২৩ সালের একটি প্রতিবেদন, ‘বিল্ডিং রেগুলেশনস ইন সাব-সাহারান আফ্রিকা’ , এই বিষয়টি তুলে ধরে যে ভবনগুলো মানুষের বসবাস ও কাজের জন্য নিরাপদ, আরামদায়ক এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ প্রদান করবে। এগুলো সমাজ ও অর্থনীতির একটি অপরিহার্য উপাদান, যা সরকার ও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধারণ করে। এই ভয়াবহ ক্ষতিতে ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা ও প্রার্থনা রইল।