
২০১৯ সালের ৩০শে অক্টোবর জাপানের ওকিনাওয়ায় সংঘটিত এক অগ্নিকাণ্ডে শুরি দুর্গটি ধ্বংস হয়ে যায়, যেটিকে ১৯৩৩ সালে জাতীয় সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল এবং ২০০০ সালে জাপানের ১১তম স্থান হিসেবে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছিল। বৈদ্যুতিক কারণে সৃষ্ট বলে মনে করা এই আগুনে প্রধান হলসহ সাতটি ভবন এবং ৪০০টিরও বেশি শিল্পকর্ম ও অন্যান্য সামগ্রী ভস্মীভূত হয়ে যায়।
শুরি দুর্গের বয়স ৫০০ বছরেরও বেশি, এবং এটি ৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রিউকিউ রাজবংশের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কাঠের কাঠামোটি পুড়ে গিয়েছিল এবং পরে তা পুনর্নির্মাণ করা হয়, আর মূল হলটি ১৯৯২ সালে সংস্কার করা হয়েছিল। 'জাপান ফরোয়ার্ড' -এ লিখতে গিয়ে ডক্টর রবার্ট ডি. এলড্রিজ উল্লেখ করেন যে, সেই সময়ে একটি স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার ব্যবস্থা বিবেচনা করা হলেও তা স্থাপন করা হয়নি। পরিহাসের বিষয় হলো, বাইরের স্প্রিংকলার দিয়ে ভবনটিকে আগুন লাগার সম্ভাবনা থেকে সুরক্ষিত রাখা হয়েছিল।



